আমায় মনে পড়লে
প্রকাশিতঃ ১১:৫০ অপরাহ্ণ | জুন ২৯, ২০১৮

ডাঃ এইচ এ তারা গুলন্দাজ:
আমি বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নই ভবঘুরে বাউণ্ডুলে জীবন কাটিয়েছি বলে
আমি বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নই
তোমাদের মত সৌভাগ্যবান সমাজপতি হতে না পেরে।
তোমাদের স্তুতিগানে থেমে যায় পৃথিবীর সমস্ত কোলাহল
কাব্যময় হয়ে উঠে আকাশ বাতাস কৃষকের দোআঁশ মাটি
তাতেও আমার কোন আক্ষেপ নেই,
অনুতাপ দুঃখবোধ আক্ষেপ শব্দগুলো আমার জরাজীর্ণ অভিধান থেকে মুছে গেছে সেই কবে কে জানে!
বাকী সব কথা লিখে রেখে গেলাম মরা ব্রহ্মপুত্রের করুণ জলের কোমল বুকে
হাঁসের তুলতুলে নরম পায়ে মাছরাঙ্গার বিষাদমাখা ঠোটে
হাড্ডিসার মাঝির ভাঙা গালে আধভাঙা নৌকার গলুইয়ে,
লিখে রেখে গেলাম জয়নুল উদ্যানের সবুজ ঘাসের কোমল বুকে
গাছের ডালে নাম না জানা পাখির সুরে ঘুরেবেড়ানো বালিকাবধূর লাল টুকটুকে গালে
স্কুলপালানো ছেলেদের গিটারের তারে
বেসুরা গানে,
হিমু আড্ডার হলুদ চেয়ারে
চায়ের দোকানের আধভাঙা বেঞ্চিতে
সুখজাগানিয়া ধূমায়িত চায়ের কাপে,
আমায় মনে পড়লে কোন কালে বাকী কথা পড়ে নিও
এক নি:স্বঙ্গ দুপুরে একাকীত্বের অবসরে ।
লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।
লেখক: সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মেডিকেল এ্সোসিয়েশন (বিএমএ), ময়মনসিংহ।